হাজী মো. নুরুল হক

(সাবেক মেম্বার, বৃহত্তর সোনাইমুড়ী ইউনিয়ন)
প্রতিষ্ঠাতা,
চাষীরহাট নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রতিষ্ঠাতার বাণী


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি সুদীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ সকল বিপদ-আপদে চাষীরহাটবাসীর পাশে থেকেছি, আপনাদের সাথে চলেছি। নিজের সবটুকু সামর্থ্য উজাড় করে দিয়ে গ্রামের মানুষের কল্যাণের জন্য যতটুকু পেরেছি করেছি। তারপরও আমি তৃপ্ত ছিলাম না, কারণ দীর্ঘদিন থেকে গ্রামের মানুষের হৃদয়ের দাবি ছিল আমাদের নিজস্ব একটি স্কুলের। কিন্তু নানাবিধ প্রতিবন্ধকতায় তা গড়ে ওঠেনি। যাহোক, দেরিতে হলেও আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। এ স্কুল আপনাদের স্কুল, গ্রামবাসীর স্কুল। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন। আপনাদের সন্তানদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের স্কুলে দিন।
ধন্যবাদ সকলকে।

এম. রাশিদুল হাসান

বিএসসি (অনার্স), এমএসসি (১ম শ্রেণিতে ২য়),
এম.এড., শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রাক্তন প্রভাষক, রসায়ন বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব,
চাষীরহাট নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রধান শিক্ষকের বাণী


সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম। শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার । প্রতিটি শিশুর মধ্যে সুপ্ত কোনো না কোনো প্রতিভা রয়েছে। একটি সফল শিক্ষালয়ের কাজ হচ্ছে সে প্রতিভা অন্বেষণ করে তা বিকশিত হবার সুযোগ করে দেয়া। দ্রুত ঊর্ধ্বগামী ও অগ্রসরমান গতির সাথে তাল মিলিয়ে আগামী বিশ্বের একজন সফল নাগরিক হতে চাইলে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, নীতি-নৈতিকতা ও আধুনিকতার সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি শিক্ষা-ব্যবস্থা প্রয়োজন যা বাস্তব সকল সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে সক্ষম। আমাদের দেশের সিংহভাগ মানুষ এখনও গ্রামে বসবাস করলেও আয়-রোজগারের জন্য তারা যখন শহরমুখী হয় তখন তাদের সন্তানেরা যথাযথ শিক্ষালাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক অঞ্চলের এ সমস্ত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শহরমুখিতার চিন্তাকে বাদ দিয়ে আগামী বিশ্বের শহুরে সভ্যতার সাথে সমান গতিতে এগিয়ে চলার জন্য দেশের স্বনাম ও সুনামধন্য একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী উদ্যমী ও মেধাবী শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে চাষীরহাট নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়। আমাদের সাথে থাকবেন।
সন্তান আপনার, গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।
সকলকে ধন্যবাদ।